ব্রণ সমস্যার চিরস্থায়ী সমাধান

Share
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on skype
Share on email
ব্রণ সমস্যার চিরস্থায়ী সমাধান

ব্রণ কাদের হয়?

ব্রণ ✓তেরো বছর থেকে উনিশ বছর বয়স পর্যন্ত শতকরা ৯০ জনের এই রোগটি কম বেশি হয়ে থাকে। বিশ বছর বয়সের পর থেকে নিজে থেকেই এ রোগী ভালো হয়ে যেতে থাকে। তবে এর ব্যতিক্রম যে হয় না তা নয়। কখনো কখনো বিশ থেকে তিরিশ বছর বয়সেও এটি দেখা দিতে পারে এবং অনেক বয়স পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। যাঁদের ত্বক তৈলাক্ত ও মাথায় খুশকি আছে তাদের ব্রণ হওয়ার আশঙ্কা বেশি। যারা ধুলাবালি ও রোদে বের হন তাদের ও ব্রণ হতে পারে। কিছু কিছু ঔষধ ও জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়িও ব্রণের তীব্রতা বাড়ায়।

ব্রণ দেখতে কেমন?

ব্রন এর প্রকারভেদ অনেক। তবে সাধারণভাবে যে প্রকারের ব্রণ হয়ে থাকে তারই বর্ননা এখানে দেয়া হচ্ছে।
এটি লোমের গোড়াই হয়ে থাকে। ব্রণের মূলে যে জিনিস তার নাম কমেডো( চাপ দিলে ভাতের দানার মত বের হয়),তবে কখনও কখনও শুধু শুধু দানা আকারে, পুঁজ সহকারে গহব্বর যুক্ত  দানা বা বড়  গোটার আকারে, দেখা দিতে পারে।

ব্রণ শরীরের কোথায় কোথায় হয়?

সাধারনত মুখেই (গলা, নাক,কপাল, থুতনি) বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা দেয়। তা ছাড়া ঘাড়, শরীরের উপরের অংশে, হাতের উপরের অংশ ইত্যাদি স্থানেও ব্রণ হয়ে থাকে।

ব্রণ কেন হয়?

অনেক কারনের ভিতর বংশগত কারণ একটি অন্যতম। প্রোপাইনি ব্যাকটেরিয়াম একনিস নামক এক ধরনের জীবাণু স্বাভাবিকভাবেই লোমের গোড়াতে থাকে। বলে ঠিক আছে হরমোন প্রবাহের শোভা সেবামের ( মাথা, মুখ ইত্যাদি জায়গায় তেলতেলে ভাব) বেড়ে যায় ও লোমের গোড়ায় থাকা জীবাণু সেবাম থেকে ফ্রি ফ্যাটি এসিড তৈরি করে। এসিডের কারণে লোমের গোড়ায় প্রদাহের সৃষ্টি হয় এবং লোমের গোড়ায় কেরাটিন জমা হতে থাকে।


বয়সন্ধিকালে তরুণ-তরুণীদের স্বাভাবিকভাবেই এন্ড্রোজেন হরমোন নিঃসরণ বেড়ে যায় বিধায় এই বয়সে বেশি ব্রণ দেখা যায়। ব্রণের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত না হলেও সাধারণত দেখা যায় হজমে গোলমাল, সুরাপান,বয়ঃসন্ধিকাল কিংবা অন্যান্য কারণে অনেকের মুখে ব্রণ হয়। বিভিন্ন কারণ হতে পারে। এর মধ্যে আছে: হরমোন পরিবর্তন, ত্বকে ধুলো ময়লা জমে থাকা, বংশগত কারণ,  ভিটামিনের অভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য,

ব্রণ হলে কি কি খাওয়া যাবেনা এবং কি কি খাবার খাওয়া দরকার

যে খাবারগুলো খেতে হবে তা হলো, প্রচুর পানি পান করা, শাকসবজি টাটকা মৌসুমী ফল খাওয়া, পেট পরিষ্কার রাখা, নিয়মিত সবুজ শাকসবজি, মাছ, টাটকা ফল খাওয়া,  আঁশযুক্ত খাবার, ভিটামিন সি যুক্ত ফল বেশি খাওয়া।

★ যে খাবারগুলো খেলে ব্রণ এর প্রভাব বৃদ্ধি পায় তা হলোঃ তৈলাক্ত খাবার, ভাজাপোড়া খাবার, এড়িয়ে চলা।  মিষ্টিও গরম মসলাযুক্ত খাবার পরিহার করা। দুধ, পাউরুটি, আলুর চিপস, চকলেট ইত্যাদি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা।

ব্রণ নিরাময়ের জন্য সহজ কিছু ঘরোয়া নিয়ম।

সাধারণত তৈলাক্ত ত্বকেই ব্রণের সংক্রমণ বেশি হয়।  তাই সব সময় মুখ পরিষ্কার রাখা। বাইরে থেকে ঘরে ফিরে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দেওয়া। দিনে কমপক্ষে দুইবার গোসল করা। প্রতিদিন অন্তত তিন চার বার মুখ ধোয়ার অভ্যাস করা। মুখে সাবান ব্যবহার না করে ফেসওয়াশ ব্যবহার করা। ত্বকে নিয়মিত ময়দা, দুধ ও মধুর পেস্ট লাগানো। মুখে ব্রণ দেখা দিলে তা নখ দিয়ে খোঁটাখুঁটি না করা। ত্বক সুন্দর রাখতে বেশি পানি খেতে হবে এবং খাওয়ার দাওয়ার ব্যাপারে সচেতন হতে হবে।
আশা করি,  এই নিয়মগুলো মানলে আপনাদের ব্রণ দ্রুত এবং চিরস্থায়ীভাবে  দূর হয়ে যাবে।

বিঃদ্রঃ পোস্টটি কেমন হলো অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

Advertisement

Share
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on skype
Share on email

Readers comments

Sponsored

Official Facebook page

Sponsored