সন্তানকে ত্যাজ্য পুত্র করা কি আইন সঙ্গত.

Share
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on skype
Share on email

সন্তানকে ত্যাজ্য করা কি আইনসঙ্গত

Ads

সংসার জীবন

সংসার জীবনে অনেক ধরনের টানাপোড়েন থাকে। তবে তা কখনও কখনও সন্তানের সঙ্গেও হয়ে থাকে। সন্তান অবাধ্য হলে বাবা-মায়ের মধ্যেও বিরোধ দেখা দেয়।
আর সন্তান বাবা-মায়ের সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদে জড়ালে অভিভাবক তাদের ত্যাজ্য করার হুমকি দেন।

সন্তানকে ত্যাজ্য করার ঘোষণা সাধারণত মৌখিকভাবে দেয়া হয়। আবার অনেক অভিভাবক স্ট্যাম্পে লিখে বা নোটারি পাবলিক করেও সন্তানকে ত্যাজ্য ঘোষণা করেন।

Ads

নিকটাত্মীয় ও স্থানীয় স্বার্থান্বেষীরা

এরপর যা ঘটে তা হলো নিকটাত্মীয় ও স্থানীয় স্বার্থান্বেষীরা ত্যাজ্য সন্তানকে তার ভাগের সম্পদ থেকে বঞ্চিত করার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে থাকে। আইন অনুযায়ী, এটি সম্পূর্ণ বেআইনি, নীতিবহির্ভূত ও গর্হিত কাজ।

ধর্ম্যানুযায়ী সন্তানকে কি ত্যাজ্য করা যায়

তবে অনেকের প্রশ্ন হলো সন্তানকে কি ত্যাজ্য করা যায় এবং এটি আইনসঙ্গত কিনা।

মুসলিম পারিবারিক আইন ও হিন্দু আইন অনুযায়ী, বাবা-মায়ের সঙ্গে সন্তানের সম্পর্কটা কোনো চুক্তি নয়। এই সম্পর্ক বিবাহ, তালাক বা দাসমুক্তির মতো না। এটি চাইলেই যে কোনো সময় ভেঙে ফেলা যায় না। মনে রাখতে হবে রক্তের সম্পর্ক কখনও মুখের কথায় পরিবর্তন করা সম্ভব নয়; এটি স্থায়ী বিষয়।

তবে বাবা-মা চাইলে তার সম্পদ থেকে সন্তানকে বঞ্চিত করতে পারে। তবে সন্তানদের ত্যাজ্য করে নয়।

Ads

ধর্ম্ যা বলে

কেউ সন্তানকে ত্যাজ্য করলে তা ধর্মীয় বা রাষ্ট্রীয় কোনো নিয়মেই গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ এ ধরনের নীতিমালা ইসলাম ও রাষ্ট্রীয় কাঠামোর কোথাও লিপিবদ্ধ নেই।

ডাঃ মোঃ শফিকুল ইসলাম ডি. এইস. এম. এস. ঢাকা।

Share
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on whatsapp
Share on skype
Share on email

Related topics

Readers comments

Sponsored

Official Facebook page

Sponsored